ফাইভার গিগ ভিডিও

যে ভাবে একটি ফাইভার গিগ ভিডিও তৈরি করবেন – Create A Gig Video

ফাইভার মার্কেটপ্লেসে টিকে থাকার জন্য গিগে বেশি বেশি অর্ডার বা কাজের প্রয়োজন হয় আর তার জন্য একটি ফাইভার গিগ ভিডিও অনেক বড় ভূমিকা পালন করে. আপনি কি কাজ পারেন বা কোন কোন বিষয়ে এক্সপার্ট সেটা একটি ভিডিওর মাধ্যমে কিলায়েন্টকে খুব সহজেই বুঝানো যাই বা জানানো যাই। আপনার ভিডিও উপস্থাপন যদি ভালো হয় তাহলে কিলায়েন্ট আপনার ভিডিও দেখেই গিগে অর্ডার করে দিবে। আর এই জন্যই অনেকে বলে বেশি বেশি কাজ পাওয়ার জন্য গিগ ভিডিও অত্যান্ত জরুরি।

গিগ ভিডিও তৈরির কিছু নিয়ম!

গিগ ভিডিওটি একান্তই আপনার নিজের হতে হবে অন্য কারো ভিডিও কপি করে গিগে আপলোড করা যাবেনা এতে পলিসি ভাইউলেশন হবে , যথাসম্ভব নিজের ফেস দ্বারা ভিডিও তৈরী করা কারণ এতে কিলায়েন্টের সাথে আপনার বিশ্বাসতা বাড়বে বা সে আপনাকে খুব সহজেই ট্রাস্ট করবে। আর যদি ফেস দ্বারা সম্ভব না হয় তাহলে আপনার কাজের দক্ষতা গুলো ভিডিও করে সেগুলো খুব ভালো ভাবে এডিটিং এর মাধ্যমে গিগে আপলোড করা যেতে পারে।

আপনি যেই ক্যাটাগরিতে কাজ করেন শুধু সেই ক্যাটাগরির গিগ ভিডিও বানাবেন বেশি কাজের আশায় অন্য ক্যাটাগরির ভিডিও বানালে ফাইভার আপনার গিগ ও গিগ ভিডিও দুইটাই রিমোভ করে দিবে। আর হাঁ অবস্যই গিগ ভিডিওতে অডিও ব্যবহার করবেন হতে পারে সেটা আপনার ভয়েস বা মিউজিক তবে মিউজিকের ক্ষেত্রে কপিরাইট ফ্রি মিউজিক হতে হবে বর্তমান অনলাইনে হাজার হাজার কপিরাইট ফ্রি মিউজিক আছে যার একটি আপনি আপনার গিগ ভিডিওতে ব্যবহার করতে পারেন। নিজের ভয়েস দেওয়া সব থেকে বেটার এটা ফাইভার ও রিকোমেন্ট করে !

যে সকল ক্যাটাগরির জন্য অডিও সহ ভিডিও বাধ্যতামূলক!

  • Whiteboard & Animated Explainers
  • App & Website Previews
  • Live-Action Explainers
  • Spokesperson Videos
  • Lyric & Music Videos
  • Real Estate Promos
  • Animation for Kids
  • Short Video Ads
  • Game Trailers
  • Book Trailers

ভিডিও লেন্থ

আপনার গিগ ভিডিওর ডিউরেশন ৭৫ সেকেন্ডের কম হতে হবে আর এই ৭৫ সেকেন্ডের মধ্যে আপনার গিগ বা কাজ সম্পর্কে খুব ভালো ভাবে উপস্থাপন করতে হবে এবং ভিডিওর ফাইল সাইজ রাখতে হবে ৫০ এমবির কম। সব কিছু ঠিক থাকলে ভিডিও সেভ করবেন MP4 বা AVI ফরমেটে।

গিগ ভিডিওর থাম্বনেইল

আপনি যখন গিগে ভিডিও আপলোড করবেন তখন আপনার গিগ ভিডিওটিই গিগ কভার ইমেজ হিসাবে শো করবে। তাই আমি বলবো সুন্দর একটি গিগ কভার ইমেজ ভিডিওর শুরু বা শেষের দিকে এড করে দেওয়া আর এটা যদি না করেন তাহলে আপনি যত সুন্দর গিগ ইমেজই আপনার গিগে আপলোড করেন না কেন ভিডিও আপলোডের পর ভিডিওটিই কভার ইমেজ হিসাবে শো হবে, আর যদি কভার ইমেজ ভিডিওতে যুক্ত করেন তাহলে ফাইভারে ভিডিওটি আপলোডের পর ফাইভার টিম যখন এপ্রোভ দিয়ে দিবে তখন আপনার গিগ থেকে ভিডিওর এডিটিং অপশনে গিয়ে ভিডিওটি প্লে করবেন দেন যেখানে আপনার কভার ইমেজ বা যেই জায়গাটি আপনি কভার ইমেজ হিসাবে রাখতে চান সেখানে ভিডিওটি স্টপ করে সেভ দিলেই হয়ে যাবে।

গিগ ভিডিও তৈরিতে আরো বেশ কিছু শতর্ক

  • ভিডিও বাংলায় তৈরী করলে ইংলিশ সাবটাইটেল ব্যবহার করা
  • একই ভিডিও সকল গিগে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা
  • ভিডিওতে কন্টাক্ট ইনফরমেশন দেওয়া থেকে বিরত থাকা
  • সার্ভিস রিলেটেড গিগ ভিডিও তৈরী করা
  • ভিডিওতে নিজের ভয়েস ব্যবহার করা
  • অন্যের কন্টেন্ট ব্যবহারে বিরত থাকা
  • ভিডিওতে ব্যাচ ব্যবহার না করা

গিগ ভিডিও তৈরি

আপনার নিজের গিগ ভিডিওটি আপনি যে কোনো ভাবে তৈরি করতে পারেন ফেস দ্বারা করলে আপনার মোবাইলের ক্যামেরা বা যে কেন ক্যামেরা দ্বারা করলেই হবে। আর ফেস ছাড়া করলে যে কোনো এডিটিং সফটওয়্যার দ্বারা করতে পারেন যেমনঃ Camtasia, Filmora, Adobe Premiere Pro ইত্যাদি বা বর্তমান অনেক ওয়েবসাইট আছে যার মাধ্যমে ভিডিও তৈরী করা যাই এক্সাম্পল হিসাবে Canva , আপনি চাইলে Canva ওয়েবসাইট দাঁড়ায় আপনার গিগ ভিডিওটি তৈরী করে নিতে পারেন!.

গিগ ভিডিও এসইও

শুধু ভিডিও তৈরী করলেই হবেনা ভিডিওর এসইও করতে হবে তাহলে খুব সহজেই আমাদের গিগকে রাঙ্ক করতে পারবো। এই ভিডিওটি দেখলে আপনি নিজেই আপনার গিগ ভিডিওটিকে খুব সুন্দর ভাবে এসইও করতে পারবেন!.

শেষ কথা!

তাহলে বন্ধুরা আজকে আমরা ফাইভার গিগ ভিডিও সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তথ্য জেনে নিলাম। এই পোস্ট সম্পর্কে আপনার মনে যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে অবস্যই কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন , আমরা আপনাকে সর্বোচ্চ হেল্প করার চেষ্টা করবো। আর পরবর্তীতে কোন বিষয়ের উপরে কন্টেন্ট চান তা জানাতে ভুলবেননা কিন্তু !. সবাইকে সালাম দিয়ে আজ এখানেই শেষ করছি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *