ফাইভার গিগ ইমেজ তৈরির টিপ্স এন্ড ট্রিক্স ২০২১

ফাইভার গিগ ইমেজ তৈরির টিপ্স এন্ড ট্রিক্স ২০২১

আজকে ফাইভার গিগ ইমেজ তৈরির টিপ্স এন্ড ট্রিক্স বা কৌশল গুলো নিয়ে এই আর্টিকেলে আলোচনা করবো!.

ফাইভারে গিগ রাঙ্ক করানোর জন্য ইমেজ অত্তান্ত গুরুত্বপূর্ণ আপনি যদি নিয়ম মেনে গিগ ইমেজ তৈরি না করেন তাহলে ফাইভারে আপনার গিগটি রাঙ্ক করার সম্ভাবনা অনেক কম , কারণ একজন কিলায়েন্ট প্রথমে ইমেজ দেখে এট্রাক্ট হবে দেন গিগে প্রবেশ করবে যদি সব ঠিক থাকে তাহলে আপনার সার্ভিসটি কিনে নিবে।

আর এই ভাবেই আসতে আসতে আপনার গিগটি ফাইভার রাঙ্ক এ চলে আসবে। তাই আপনাকে গিগ ইমেজের প্রতি অত্যান্ত যত্নবান হতে হবে আর যদি কোনো তারতম্য করেন তাহলে অনেকের থেকে পিছে পরে যাবেন।

চলুন এবার ফাইভার গিগ ইমেজ তৈরির কৌশল গুলো জেনে নেই !

১। ইমেজ কোয়ালিটি

আপনাকে কোয়ালিটি সম্পূর্ণ গিগ ইমেজ তৈরি করতে হবে. কোনো ভাবেই pixelated image (কোয়ালাটি বিহীন ইমেজ) তৈরি করা যাবে না । অনেকেই গিগ ইমেজের কোয়ালিটিতে গুরুত্ব দেয়না এবং পরে সে বুঝতে পারে না যে তার গিগ টি কেন রাঙ্ক করছে না। আপনি যদি আপনার গিগে কোয়ালাটি বিহীন ইমেজ ব্যবহার করেন তাহলে কিলায়েন্ট আপনার সার্ভিসটাকেও কোয়ালাটি বিহীন মনে করতে পারে। তাই এই বিষয়ে কিয়ারফুল থাকবেন।

২। কপিরাইট

কপিরাইট বলতে অন্যের জিনিস নিজের মনে করে ব্যবহার করা। আপনি যদি অন্য কারো গিগ ইমেজ ব্যবহার বা হুবহু নকল করেন তাহলে সেটি কপিরাইটের আওতায় পর্বে , চাইলে সে গিগ ইমেজের মালিক আপনার গিগটিকে সাস্পেন্ড বা একাউন্টিকেও ডিসেবল করে দিতে পারে কপিরাইট আইনের আওতায় গিয়ে। তাই নিজের উনিক ইমেজ ব্যবহার করুন এবং অন্যের ইমেজ ব্যবহার বা নকল করা থেকে বিরত থাকুন !

৩। ক্লিকবাইট

ইমেজের মধ্যে ক্লিক সিম্বল বা আইকন ব্যবহার করাকে ক্লিকবাইট বলে। আপনি যদি ইমেজের মধ্যে ক্লিক সিম্বল বা আইকন ব্যবহার করাকে ক্লিকবাইট বলে। আপনি যদি আপনার গিগ ইমেজে Click Now বা Order Now এই ধরণের কোনো শব্দ /আইকন ব্যবহার করেন তাহলে সেটা clickbait এর আওতায় পরবে।

4| ব্যাজ

আপনার কাজের দক্ষতা বা সেলের উপরে ফাইভার আপনাকে ব্যাজ দিবে। কিন্তু আপনি ফাইভারে কত নম্বর সেলার এটা ব্যাজ হিসেবে গিগ ইমেজে ব্যবহার করতে পারবেন না। আপনি ফাইভারে কোন পজিশনে রয়েছেন বা কেমন সেল করছেন এটা বায়ার আপনার প্রোফাইলে প্রবেশ করলেই দেখতে পাবে। তাই আমি বলি গিগ ইমেজে এই ধরনের ব্যাজ ব্যবহার করে গিগের পজিশন কখনোই খারাপ করবেন না।

৫। অতিরিক্ত টেক্সট

অনেক আছে যারা তাদের গিগ ইমেজে অতিরিক্ত টেক্সট বা লিখা ব্যবহার করে কিলায়েন্টকে এট্রাক্ট করার জন্য , এতে কিলায়েন্ট এট্রাক্ট হওয়ার বিপরীতে কনফিউজ হয় এবং গিগের ইম্প্রেশন ও অর্ডার কমে যাই. তাই গিগ ইমেজে অতিরিক্ত টেক্সট পরিহার করুন যেটা বুঝতে চান সেটা এক বা দুই কোথায় লিখে ফেলুন।

৬। ডেনসিটি

গিগ ইমেজে অতিরিক্ত কন্টেন্ট ব্যবহার করাকে density বলে। আপনি যদি লোগো ডিজাইন নিয়ে কাজ করেন তাহলে গিগ ইমেজে ইউনিক একটি লোগো ব্যাবহার করুন। অতিরিক্ত লোগো ব্যবহার করা দিকে বিরত থাকুন, যতটা পারাযায় গিগ ইমেজের ডিজাইনটি কিস্টাল ক্লিন রাখার চেষ্টা করুন !

৭। প্রপোরশন্স

গিগের ইমেজ ব্যবহারে সতর্ক থাকুন আঁকাবাঁকা বা রোটেট টাইপের ইমেজ গিগে ব্যবহার করতে পারবেন না এবং ছোট সাইজের ইমেজও ব্যবহার করা যাবে না। আপনাকে 690 x 426px এই রেশিওতে গিগ ইমেজ তৈরি করতে হবে এবং গুগলে সার্চ দিলে 550 x 370px এই সাইজটি দেখায় এটিও গিগ ইমেজ তৈরির একটি রেশিও তবে বেটার হচ্ছে 690 x 426px এই সাইজে গিগ ইমেজটি রেডি করা.

৮। উনিকনেস

আপনার যদি অনেকগুলো গিগ থাকে তাহলে একই ইমেজ সব গিগে ব্যবহার করবেন না। প্রতিটি গিগের জন্য ইউনিক আলাদা আলাদা ইমেজ ডিজাইন করুন এবং আপার সার্ভিস বা সেবাটিকে খুব ভালো ভাবে কিলায়েন্টের কাছে উপস্থাপন করুন।

৯। অথেন্টিসিটি

গিগে নিজের ফেস ব্যবহার করার চেষ্টা করুন তাহলে কিলায়েন্ট বা কাস্টমারের সাথে আপনার একটি বিশ্বাসতা তৈরি হবে। আর গিগে হাবিজাবি ইমেজ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন এটা ফাইভার পলিসির বহির্গত।

১০। রেলেভ্যান্সি

আপনি যেই ক্যাটাগরিতে কাজ করেন ঠিক সেই ক্যাটাগরির ইমেজ আপনার গিগে ব্যবহার করবেন। যদি ওয়েব ডিজাইন করে গ্রাফিক ডিজাইনের ইমেজ ব্যবহার করেন তাহলে ফাইভারে অর্ডার বা কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম. তাই আমি বলবো এই ধরনের কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।

ফাইভার গিগ ইমেজ এসইও

উপরের সকল নিয়ম ফলো করে গিগ ইমেজ তৈরির পর ইমেজটি এসইও করার প্রয়োজন হবে. আপনি যদি আপনার গিগ ইমেজটি এসইও করে পাবলিশ করেন তাহলে যারা ইমেজ এসইও করে না তাদের থেকে একধাপ এগিয়ে থাকবেন, এবং ইমেজ এসইও করার ফলে আপনার গিগ ইমেজটি গুগলেও রাঙ্ক করতে পারে যার ফলে আপনার অর্ডার বা কাজ পাওয়ার অপর্চুনিটি কিছুটা বেড়ে যাই অন্যদের থেকে।

শেষ কথা!

ওকে এতক্ষন হয়তো আমরা ফাইভার গিগ ইমেজ তৈরির টিপ্স এন্ড ট্রিক্স বা কৌশল গুলো শিখে নিয়েছি! সর্বশেষ একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চাইলে অবশ্যই ধৈর্য ধরে স্টেপ বাই স্টেপ আপনাকে সামনের দিকে আগাতে হবে। জীবনে সফল হওয়ার কোন শর্টকাট নেই। তাই পরিশ্রম করুন। সফলতা আসবেই। এই পোস্ট সম্পর্কে আপনার মনে যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে অবস্যই কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন , আমরা আপনাকে সর্বোচ্চ হেল্প করার চেষ্টা করবো। আর পরবর্তীতে কোন বিষয়ের উপরে কন্টেন্ট চান তা জানাতে ভুলবেননা কিন্তু !. সবাইকে সালাম দিয়ে আজ এখানেই শেষ করছি।

Leave a Comment

Your email address will not be published.